গ্রীষ্মকালীন মৌসুম মানেই রসালো, সুস্বাদু পাকা আম। স্বাদে অতুলনীয় এই ফলটি শুধু জিভের তৃপ্তিই দেয় না, পুষ্টিগুণেও সমৃদ্ধ। আর আম খেতে কে না ভালবাসে। আমে রয়েছে ভিটামিন সি, ভিটামিন বি, ক্যালসিয়াম, আয়রন ও খনিজ লবণসহ বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান।
তবে আম পুষ্টিকর হলেও খাওয়ার কিছু নিয়ম রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আম খাওয়ার পরপরই কিছু খাবার খেলে শরীরে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে এবং হজমের সমস্যাও তৈরি হতে পারে। আম খাওয়ার ঠিক পরপরই কিছু খাবার এড়িয়ে চলা শরীরের পক্ষে ভালো বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
অনেকের অভ্যাস আম খাওয়ার পরপরই পানি পান করা। কিন্তু চিকিৎসকদের মতে, এমন অভ্যাস সবসময় ভালো নয়। কারণ আম খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পানি পান করলে অনেকের ক্ষেত্রে অ্যাসিডিটি, পেটে ব্যথা কিংবা গ্যাসের সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই আম খাওয়ার অন্তত ৩০ থেকে ৬০ মিনিট পর পানি পান করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
আমের পর করলার মতো তেতো খাবার খাওয়ার বিষয়েও সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা। এতে বমি বমি ভাব, বমি কিংবা কিছু ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে বলে ধারণা করা হয়।
এই মৌসুমে আমের সঙ্গে দই খেতে অনেকেই ভালোবাসেন। তবে আমের সঙ্গে দই খেলে বিপদ বাড়তে পারে, এমনটাই বলছেন চিকিৎসকরা। আম খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বা খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে দই খেলে শরীরে শর্করার মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। এতে শরীরের ভারসাম্য নষ্ট হয়। পাশাপাশি কারও কারও ত্বকেও সমস্যা দেখা দিতে পারে।
এ ছাড়া আম খাওয়ার পর অতিরিক্ত মিষ্টি বা কোমল পানীয় খাবেন না। কারণ আমের মধ্যে থাকে শর্করা। আর আর কোমল পানীয়তেও থাকে উচ্চমাত্রার চিনি। ডায়াবেটিসের রোগীরা এই ভুল কোনোভাবেই করবেন না।
আম খাওয়ার পরপর অতিরিক্ত ঝাল বা মশলাযুক্ত খাবার না খাওয়াই ভালো বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এতে হজমের সমস্যা তৈরি হতে পারে এবং কিছু ক্ষেত্রে ত্বকের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।








