• ঢাকা, বাংলাদেশ সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ০৯:০১ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
নোটিশ
সারাদেশের জেলা ও উপজেলায় সংবাদকর্মী আবশ্যক। নিজেকে যোগ্য মনে করলে এখনই যোগাযোগ করুন Mob: 01778840333, Email: m.r.01778840333@gmail.com

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে: ইটিসি চালু, বিক্রি হচ্ছে ডিভাইস

sagar crime reporter / ৩৭ জন দেখেছে
আপডেট : রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে: ইটিসি চালু, বিক্রি হচ্ছে ডিভাইস

ইলেকট্রনিক টোল কালেকশন (ইটিসি) ডিভাইসটি বিক্রিও শুরু হয়েছে। একেকটি আড়াই হাজার টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।

 

শাপলানিউজ.কম

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে ইলেকট্রনিক টোল কালেকশন (ইটিসি) পদ্ধতি চালু হয়েছে ১ এপ্রিল থেকে। ইটিসি ডিভাইস গাড়িতে স্থাপনের জন্য বিশেষ সুবিধাসহ (অফার) ডিভাইস বিক্রিও শুরু করা হয়েছে। ২০২৩ সালে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে চালুর সময় থেকেই ইটিসি চালুর কথা থাকলেও এত দিন তা করেনি ফার্স্ট ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে (এফডিইই) কোম্পানি লিমিটেড।

কর্মব্যস্ত সময়ে টোল বুথে ভিড় কমাতে দুই বছর আগে সরকার এফডিইই কোম্পানিকে চিঠি দিলেও অর্থসংকটের কথা জানিয়ে ইটিসি স্থাপন করা হচ্ছিল না। অবশেষে সীমিত পরিসরে ইটিসি চালু করা হয়েছে। টোল প্লাজাগুলোর (উত্তরা, কুড়িল, তেজগাঁও, মহাখালী, বনানী) যেকোনো একটি গেটে ইটিসি ডিভাইস লাগানো গাড়িগুলো রিফিল করা টোল দিয়ে চলে যেতে পারবে। টোল পরিশোধের জন্য লাইনে দাঁড়াতে হবে না।

ইটিসি স্থাপনের বিষয়ে জানতে চাইলে এফডিইই কোম্পানি লিমিটেডের অপারেশন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স বিভাগের ব্যবস্থাপক ক্যাপ্টেন (অব.) হাসিব হাসান খান প্রথম আলোকে বলেন, ১ এপ্রিল থেকে ইটিসি স্থাপন করা হয়েছে। যেসব গাড়িতে ইটিসি ডিভাইস ব্যবহার করা হবে, সেসব গাড়ি ব্যবহারকারীদের টোলবুথে টোল দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হবে না। ডিভাইসে প্রয়োজনীয় অর্থ থাকলে যন্ত্র স্বয়ংক্রিয়ভাবে টোল কেটে নেবে। আপাতত টোল প্লাজাগুলোর একটি গেটে ইটিসি পদ্ধতি চালু হয়েছে।

যেসব গাড়িতে ইটিসি ডিভাইস ব্যবহার করা হবে, সেসব গাড়ি ব্যবহারকারীদের বুথে টোল দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হবে না।

ক্যাপ্টেন (অব.) হাসিব হাসান খান, ব্যবস্থাপক, অপারেশন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স বিভাগ, এফডিইই কোম্পানি লিমিটেড 

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে চলাচল করা ব্যক্তিগত গাড়ি, কার, ট্যাক্সি, জিপ, স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকেল (এসইউভি), মাইক্রোবাস (১৬ সিটের কম) এবং হালকা ট্রাকের (৩ টনের কম) ক্ষেত্রে টোল ৮০ টাকা, ১৬ বা এর বেশি আসনের বাসের জন্য ১৬০ টাকা, ৬ চাকার মাঝারি ট্রাকের জন্য ৩২০ টাকা এবং ৬ চাকার বেশি ট্রাকের জন্য টোল ৪০০ টাকা।

ডিভাইস প্রসঙ্গে হাসিব হাসান খান বলেন, কুড়িলে কোম্পানির কার্যালয়ের নিচতলায় ইটিসির ডিভাইস বিক্রি করা হচ্ছে। টোল প্লাজায় এ–সংক্রান্ত নোটিশও দেওয়া হয়েছে। একেকটি ডিভাইস বিক্রি হচ্ছে আড়াই হাজার টাকায়। গাড়ি ব্যবহারকারীরা নিজেদের প্রয়োজন অনুসারে টোলের অর্থ রিফিল করে নেবেন। তবে ৫ হাজার টাকা একবারে রিফিল করলে ডিভাইস ফ্রি দেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারির (পিপিপি) বড় এই প্রকল্পের নাম ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পিপিপি প্রকল্প। এক্সপ্রেসওয়ের নির্বাহক প্রতিষ্ঠান হিসেবে রয়েছে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ। ফার্স্ট ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে (এফডিইই) কোম্পানি লিমিটেডের আওতায় শুরুতে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অংশীদারত্ব (শেয়ার) ছিল থাইল্যান্ডভিত্তিক ইতালিয়ান থাই ডেভেলপমেন্ট পাবলিক কোম্পানি লিমিটেডের (৫১ শতাংশ অংশীদার)। এ ছাড়া চীনভিত্তিক দুটি প্রতিষ্ঠান চায়না শ্যানডং ইন্টারন্যাশনাল ইকোনমিক অ্যান্ড টেকনিক্যাল কো-অপারেশন গ্রুপের ৩৪ শতাংশ এবং সিনোহাইড্রো করপোরেশন লিমিটেডের ১৫ শতাংশ শেয়ার ছিল। তবে শেয়ার নিয়ে দ্বন্দ্বে ঋণ জটিলতা তৈরি হওয়ায় প্রকল্পে অর্থাভাব দেখা দেয়।

‘ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে’ প্রকল্পের পরিচালক এ এইচ এম সাখাওয়াত আখতারের সই করা এক চিঠিতে ইটিসি স্থাপনের তাগিদ দিয়ে ওই চিঠিতে বলা হয়, শুরু থেকেই ইটিসি স্থাপনের কথা থাকলেও বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এখনো তা করছে না। কর্মব্যস্ত সময়ে (পিক আওয়ারে) তেজগাঁও ও বিমানবন্দর এলাকায় টোল বুথে দীর্ঘ লাইন হয়। এতে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নিয়ে মানুষের মধ্যে বিরূপ মনোভাব দেখা দেবে। চিঠিতে ওই বছরের এপ্রিল মাসের মধ্যে ইটিসি স্থাপন করতে বলা হয়।

প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের পথ হচ্ছে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের দক্ষিণে কাওলা-কুড়িল-বনানী-মহাখালী-তেজগাঁও-মগবাজার-কমলাপুর-সায়েদাবাদ-যাত্রাবাড়ী-ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালী পর্যন্ত। মোট দূরত্ব ১৯ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ