• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ১২:৪১ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
নোটিশ
সারাদেশের জেলা ও উপজেলায় সংবাদকর্মী আবশ্যক। নিজেকে যোগ্য মনে করলে এখনই যোগাযোগ করুন Mob: 01778840333, Email: m.r.01778840333@gmail.com

রামিসা হত্যা মামলা : ১০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন

sagar crime reporter / ৪১ জন দেখেছে
আপডেট : মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২৬

রামিসা হত্যা মামলা : ১০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন

 

shaplanews.com

বহুল আলোচিত রাজধানীর শিশু রামিসা হত্যা মামলায় আজ মঙ্গলবার (২ জুন) বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত আদালতে ১০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। এর আগে বোন রাইসা আক্তারের ক্যামেরা ট্রায়ালে সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। শিশু হওয়ায় রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক এই আদেশ দেন। রাইসা আক্তার এই মামলার তৃতীয় সাক্ষী। এসময় আদালতে রামিসার বাবা, মা-ও সাক্ষী দেন।

রামিসা হত্যা মামলা : আদালতে যা বললেন বাবা, মা ও বোন

আদালতে রামিসার মা পারভীন আক্তার কেঁদে কেঁদে মেয়ের হত্যার বিচার চান। অন্যদিকে রামিসার মা আদালতে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন বলে দাবি করেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আসামিপক্ষের আইনজীবী।

আদালতে রামিসার মা পারভীন আক্তার বলেন, রামিসা হত্যা মামলার আসামি সোহেলকে গ্রিল কেটে পালিয়ে যেতে সাহায্য করে স্ত্রী স্বপ্না। ঘরে ঢুকে মেয়ের মাথা একদিকে ও শরীর আরেকদিকে দেখি, এটা দেখে আমি অজ্ঞান হয়ে যাই।

সোহেলের জবানবন্দিতে রামিসা হত্যার নৃশংস বর্ণনা

শুনানি শেষে সোহেল বললেন, ‘রামিসা হত্যায় ডলারও জড়িত’

রামিসার বাবা হান্নান মোল্লা বলেন, সোহেলই রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যা করেছে।

প্রথমে সাক্ষ্য দেন শিশু রামিসার বাবা হান্নান মোল্লা, মা পারভীন আক্তার ও বোন রাইসা আক্তার।

এর আগে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পরে হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নাকে আদালতে হাজির করা হয়। আজ মঙ্গলবার (২ জুন) তাদের উপস্থিতিতে সাক্ষীরা আদালতে সাক্ষ্য দেন।

নিজের স্ত্রীকে নির্দোষ দাবি করলেন সোহেল রানা

শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার বিচার শুরু

আজ ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে এই সাক্ষ্য গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। আদালতে নিহত শিশু রামিসার বাবা ন্যায় বিচার চেয়েছেন। এর আগে গতকাল সোমবার (১ জুন) মামলায় অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।

গত ২৪ মে মামলার আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। এরপরে সিএমএম আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করে মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বদলির আদেশ দেন।

অভিযোগপত্রে আসামি সোহেলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ এবং তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে হত্যায় সহোযোগিতার অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগপত্রে ১৫ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ