• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৫৯ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
নোটিশ
সারাদেশের জেলা ও উপজেলায় সংবাদকর্মী আবশ্যক। নিজেকে যোগ্য মনে করলে এখনই যোগাযোগ করুন Mob: 01778840333, Email: m.r.01778840333@gmail.com

খেলা জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ যেন অনিয়মের আখড়া! ক্রীড়া প্রতিবেদক

রিপোর্টারের নাম : / ১৪৫ জন দেখেছে
আপডেট : সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

খেলা

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ যেন অনিয়মের আখড়া!
ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৫,

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ যেন অনিয়মের আখড়া!
ফাইল ছবি

নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা করছে না জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। নির্বাহী কমিটি ও সাধারণ পরিষদকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে একের পর এক অনিয়ম করে যাচ্ছে ‘ক্রীড়াঙ্গনের আপদ’ খ্যাত সংস্থাটি। ক্রীড়া উন্নয়নের চেয়ে নিজেদের উন্নয়নেই এই সংস্থাটির কর্মকর্তারা বেশি ব্যস্ত থেকেছেন।

২০০৯ থেকে ২০২৫ সাল-এই ১৬ বছরের মধ্যে বার্ষিক সাধারণ সভা হয়েছে মাত্র তিনবার। অথচ এনএসসির অ্যাক্ট অনুযায়ী প্রতি দুই বছর পর এজিএম হওয়ার কথা। এজিএমে এনএসসির যাবতীয় কর্মকাণ্ডের অনুমোদন নেওয়া বাধ্যতামূলক। শুধু তাই নয়, নির্বাহী কমিটির সভাও প্রতি তিন মাস অন্তর হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ২০২২ সালের পর নির্বাহী কমিটির আর কোনো সভা হয়নি। গত এক বছরে নির্বাহী কমিটির সভা কিংবা এজিএম কোনোটাই আয়োজন করতে পারেননি জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের বর্তমান দায়িত্বপ্রাপ্তরা। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নির্বাহী কমিটির সভা আয়োজনে ব্যর্থ ক্রীড়া পরিষদের কর্মকর্তাদের কাছে কৈফিয়ত তলব করা হয়েছে। সেই সঙ্গে যত দ্রুত সম্ভব নির্বাহী সভা আয়োজনের জন্য চিঠিও দেওয়া হয়েছে। নিজেদের ব্যর্থতা আড়াল করতেই জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ অন্য ক্রীড়া ফেডারেশনের ওপর খবরদারি করে চলছে। কোনো কারণ ছাড়াই নিজেদের মর্জিমতো ফেডারেশনের কমিটি ভেঙে দেয়। ক্রীড়া পরিষদের কর্মকর্তাদের ব্যক্তিস্বার্থে ব্যাঘাত ঘটলেই ফেডারেশরেন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের সরিয়ে দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে।

কিছুদিন আগে অনিয়মতান্ত্রিকভাবে কুস্তি ফেডারেশনের সভাপতি ও বিশিষ্ট ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব ব্রি. জেনারেল (অব.) ফখরুদ্দিন হায়দারকে পদ থেকে সরিয়ে দেয় ক্রীড়া পরিষদ। অথচ দুর্নীতির দায়ে বরখাস্ত হওয়া যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার এপিএস মোয়াজ্জেম সাঁতার ফেডারেশনের সদস্য পদে বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এ নিয়ে কোনো হেলদোল নেই ক্রীড়া পরিষদের কর্মকর্তাদের। এদিকে কাবাডি ফেডারেশনের ছয়তলা একটি বিল্ডিং ও ভেন্যু থাকার পরও শুধু সাধারণ সম্পাদক এসএম নেওয়াজ সোহাগের সঙ্গে ব্যক্তি সম্পর্কের কারণে গোপালগঞ্জ মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সকে আধুনিকায়ন করে কাবাডি কমপ্লেক্স বানিয়ে দিচ্ছেন ক্রীড়া পরিষদের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। অথচ ভেন্যুর কারণে নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও খেলাধুলার আয়োজন করতে পারে না আন্তর্জাতিক আসরে পদক জিতে আনা অনেক ক্রীড়া ফেডারেশনই।

অন্যদিকে অক্টোবরে বাহরাইনে এশিয়ান যুব গেমস, নভেম্বরে রিয়াদে ইসলামিক সলিডারিটি গেমস এবং জানুয়ারিতে পাকিস্তানে সাউথ এশিয়ান (এসএ) গেমস সামনে রেখে দেশজুড়ে বিভিন্ন ভেন্যুতে চলছে ক্রীড়াবিদদের ক্যাম্প। অথচ দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিচ্ছে ক্রীড়া পরিষদ। কারণ কোনো ফেডারেশন দুই মাস আবার কোনো ফেডারেশনের দেড় মাস ক্যাম্প চললেও এক পয়সাও দেয়নি ক্রীড়াঙ্গনের অভিভাবক সংস্থাটি। ফলে অনেক ক্যাম্পের ক্রীড়াবিদরা রুটি-কলা খেয়েই গেমসের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ