• ঢাকা, বাংলাদেশ রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২ অপরাহ্ন
  • [কনভাটার]
শিরোনাম:
এখনই ডিলিস্টিং হচ্ছে না বন্ধ কোম্পানি : বিএসইসি ঢাকায় ২০০৯ সালের পর সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের রেকর্ড রথযাত্রা ঘিরে রাজধানীতে থাকবে সোয়াট ও গোয়েন্দা টিম: ডিএমপি কমিশনার হাসিনা দেশে ফেরা মাত্রই কারাগারে যাবেন: প্রধান কৌঁসুলি রাজধানীতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার ৪১ আধুনিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আনসার ও ভিডিপিকে শক্তিশালী করা হচ্ছে বিতর্কিত লাল কার্ড নিয়ে মুখ খুললেন সুইজারল্যান্ড কোচ মধু ও কালোজিরা একসাথে খেলে কী হয়? বিজ্ঞান যা বলছে ২৪ ঘণ্টায় ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টির সতর্কবার্তা মধ্যপ্রাচ্য ইরানে ১৪০টি লক্ষ্যবস্তুতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, হরমুজে হামলার শিকার আরেকটি জাহাজ
নোটিশ
সারাদেশের জেলা ও উপজেলায় সংবাদকর্মী আবশ্যক। নিজেকে যোগ্য মনে করলে এখনই যোগাযোগ করুন Mob: 01778840333, Email: m.r.01778840333@gmail.com

ঢাকায় ২০০৯ সালের পর সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের রেকর্ড

sagar crime reporter / ১২ জন দেখেছে
আপডেট : রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬

জলবায়ু ও পরিবেশ

ঢাকায় ২০০৯ সালের পর সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের রেকর্ড

 

ঢাকা: প্রায় ১৭ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ বর্ষণ হয়েছে রাজধানীতে। ফলে জলাবদ্ধতায় চরম দুর্ভোগে দিন পার করল নগরবাসী।

আবহাওয়াবিদ একেএম নাজমুল হক জানান, ২০০৯ সালের পর রোববার (১২ জুলাই) সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। ২০০৯ সালের বর্ষায় ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছিল ৩৩৩ মিলিমিটার।

১৭ বছর পর আজ ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড করা হলো ১৭৫ মিলিমিটার।বৃষ্টিপাত বাড়ার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় থাকায় এমন বৃষ্টিপাত হচ্ছে।

তবে বর্ষায় বৃষ্টি বেশি হবে, এটাই স্বাভাবিক।তিনি জানান, দিনের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত ঢাকাতেই হয়েছে।

এছাড়া চট্টগ্রামে ১৬০ মিলিমিটার, কক্সবাজারে ১১৩ মিলিমিটার, আমবাগানে ১৪০ মিলিমিটার, ফরিদপুরে ১১১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।একেএম নাজমুল হক জানান, মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় থাকায় আগামী পাঁচ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। বিশেষ করে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।

আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, ১২ জুলাই সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ স্থানে এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের অনেক স্থানে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ সময় দেশের দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে, তবে রাতের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে।

১৩ জুলাইয়ের পূর্বাভাসে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও খুলনা বিভাগের অধিকাংশ স্থানে এবং ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক স্থানে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময়ও কয়েকটি এলাকায় ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

১৪ জুলাই রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের অনেক স্থানে এবং দেশের অন্যান্য বিভাগের কিছু কিছু স্থানে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী বর্ষণ হতে পারে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।

১৫ ও ১৬ জুলাই খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক স্থানে এবং দেশের অন্যান্য বিভাগের কিছু কিছু স্থানে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে এসব বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। এ সময় দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, মৌসুমি বায়ুর বর্ধিতাংশ পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে এবং এর একটি অংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত সম্প্রসারিত। উত্তর বঙ্গোপসাগরে মৌসুমি বায়ু মাঝারি অবস্থায় বিরাজ করছে। বর্ধিত পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

এদিকে অতিভারী বৃষ্টিতে দেশের ১২ জেলার বন্যা পরিস্থিতি আরও অবনতি হতে পারে। প্লাবিত হতে পারে নতুন নতুন এলাকা।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, সাঙ্গু নদী বান্দরবান (বান্দরবান) ও দোহাজারী (চট্টগ্রাম); কুশিয়ারা নদী মারকুলি (সুনামগঞ্জ) ও ফেঞ্চুগঞ্জ (সিলেট); সোমেশ্বরী নদী কলমাকান্দা (নেত্রকোণা) স্টেশনে পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এদিকে আগামী দুই দিনে ফেনী, চট্টগ্রাম, খাগড়াছড়ি; সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোণা, শেরপুর ও ময়মনসিংহ; নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর, কুড়িগ্রাম জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির উদ্ভব অথবা কিছুটা অবনতি হতে পারে।

অন্যদিকে আগামী ২৪ ঘণ্টায় বান্দরবান, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার সাঙ্গু, মাতামুহুরী এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার মনু, খোয়াই নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলসমূহে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।

বন্যায় ইতোমধ্যে ১০ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভূমিধস ও বানে মারা গেছেন অন্তত ৫১ জন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ