• ঢাকা, বাংলাদেশ সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০১:২৬ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
নোটিশ
সারাদেশের জেলা ও উপজেলায় সংবাদকর্মী আবশ্যক। নিজেকে যোগ্য মনে করলে এখনই যোগাযোগ করুন Mob: 01778840333, Email: m.r.01778840333@gmail.com

আন্তর্জাতিক যুদ্ধবিরোধী বন্দিদের মুক্তির জন্য পুতিনের প্রতি আহ্বান আন্তর্জাতিক ডেস্ক

sagar crime reporter / ৫৪৮ জন দেখেছে
আপডেট : শনিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৫

আন্তর্জাতিক

যুদ্ধবিরোধী বন্দিদের মুক্তির জন্য পুতিনের প্রতি আহ্বান
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ১৬ আগস্ট ২০২৫,

যুদ্ধবিরোধী বন্দিদের মুক্তির জন্য পুতিনের প্রতি আহ্বান
রাশিয়ার মস্কোতে সেনা অভিযানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের সময় একজন প্রতিবাদীকে গ্রেফতার করছে দাঙ্গা পুলিশ, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২। ছবি: আলেকজান্ডার জেমলিয়ানিচেনকো/এপি

যুদ্ধবিরোধী বন্দিদের মুক্তির জন্য আহ্বান জানিয়েছেন নির্বাসিত রুশ বিরোধী নেতা আলেক্সেই নাভালনির স্ত্রী ইউলিয়া নাভালনায়া।

শুক্রবার তিনি বলেছেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, যাতে এমন একটি চুক্তি করেন যা রাশিয়ায় বন্দি থাকা রাশিয়ান ও ইউক্রেনীয় রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি নিশ্চিত করবে। এসব বন্দি যুদ্ধের বিরোধিতা করা বা বক্তব্য প্রকাশের কারণে আটক।

শনিবার (১৬ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে এনডিটিভি।

নাভালনায়া, যার স্বামী আলেক্সেই নাভালনি গত বছর রাশিয়ার একটি কারাগারে মারা যান।

আরও পড়ুন
ট্রাম্প ছিলেন ক্লান্ত, আলোচনায় বিন্দুমাত্র নমনীয় হননি পুতিন
ট্রাম্প ছিলেন ক্লান্ত, আলোচনায় বিন্দুমাত্র নমনীয় হননি পুতিন

আলাস্কায় ট্রাম্প ও পুতিনের বৈঠকের কয়েক ঘণ্টা আগে সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিও বার্তায় বলেন, ‘আপনাদের এমন একটি অব্যবহৃতযোগ্য পদক্ষেপ নিতে হবে, যা কোনোভাবেই পূর্বাবস্থায় ফেরানো যাবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘রাশিয়ান রাজনৈতিক কর্মী ও সাংবাদিকদের মুক্তি দিন। ইউক্রেনীয় সাধারণ মানুষকে মুক্তি দিন। যারা যুদ্ধবিরোধী বক্তব্য বা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টের কারণে বন্দী হয়েছেন, তাদেরও মুক্তি দিন।’

এর আগে ট্রাম্প ও পুতিন একে অপরের দেশে আটক রাশিয়ান ও মার্কিন নাগরিকদের মুক্তির জন্য চুক্তি করেছেন।

রুশ বিরোধী নেতা আলেক্সেই নাভালনির স্ত্রী ইউলিয়া নাভালনায়া। ছবি: সংগৃহীত
এছাড়া ট্রাম্পের পূর্বসূরী জো বাইডেন গত বছর একটি বড় বন্দি বিনিময় চুক্তি করেছেন, যার মাধ্যমে দুইজন মার্কিন সাংবাদিক এবং কয়েকজন রাশিয়ান বিরোধী নেতা মুক্তি পেয়েছেন, বিনিময়ে ইউরোপে আটক কয়েকজন রাশিয়ান গুপ্তচর ছাড়া হয়েছে।

রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমণের বিরোধিতা করার জন্য শত শত মানুষকে বিচার করেছে। প্রতিবেশী দেশে সেনা পাঠানোর কয়েক দিনের মধ্যে মস্কো কঠোর সামরিক সেন্সরশিপ আইন পাশ করে, যা সেনা সমালোচনা এবং সরকারি সূত্র ছাড়া তথ্য প্রচারকে দণ্ডনীয় করেছে।

কিয়েভ দাবি করে, ফেব্রুয়ারি ২০২২ সালের রাশিয়ার আক্রমণের পর থেকে রাশিয়ান সেনারা ইউক্রেনের বিভিন্ন অঞ্চলে হাজার হাজার সাধারণ মানুষ আটক রেখেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ