দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত সপ্তাহে (২৬ থেকে ৩০ জুলাই) সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে বস্ত্র খাতের কোম্পানিগুলোর শেয়ার। খাতটি একাই লেনদেন করেছে ২২ দশমিক ১৫ শতাংশ। এতে খাতটি লেনদেনের শীর্ষে অবস্থান করছে। পরবর্তী অবস্থানে রয়েছে ওষুধ রসায়ন খাত। এ দুই খাতে সম্মিলিতভাবে লেনদেন হয়েছে ৩৩ দশমিক ৯১ শতাংশ।
ডিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে জানা যায়, গত সপ্তাহে মোট লেনদেন হয়েছে পাঁচ হাজার ২৯৯ কোটি ৬১ লাখ ২০ হাজার টাকা। এতে দৈনিক গড় লেনদেন ছিল এক হাজার ৫৯ কোটি ৯২ লাখ ২০ হাজার টাকা। পুঁজিবাজারে বর্তমানে ২১টি খাতে মোট ৪১২টি প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে বস্ত্র ও ওষুধ রসায়ন এই দুই খাতের ৯২টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে এক হাজার ৭৯৭ কোটি ১৬ লাখ টাকা। বাকি ১৯টি খাতের ৩২০টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে তিন হাজার ৫০২ কোটি ৪৫ লাখ ২০ হাজার টাকা।
শীর্ষ অবস্থানে থাকা বস্ত্র খাতের ৫৮টি প্রতিষ্ঠানে মোট লেনদেন হয়েছে এক হাজার ১৭৩ কোটি ৮৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এই খাতে দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণ ছিল ২৩৪ কোটি ৭৭ লাখ ৩০ হাজার টাকা, যা ডিএসইর মোট লেনদেনের ২২ দশমিক ১৫ শতাংশ। লেনদেনে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ওষুধ ও রসায়ন খাতের ৩৪টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে ৬২৩ কোটি ২৯ লাখ ৫০ হাজার টাকার শেয়ার, যা মোট লেনদেনের ১১ দশমিক ৭৬ শতাংশ।
অন্যান্য খাতের মধ্যে প্রকৌশল খাতে ১১ দশমিক শূন্য আট শতাংশ, সাধারন বিমা খাতে ১০ দশমিক ৪৩ শতাংশ, ব্যাংক খাতে সাত দশমিক ৯১ শতাংশ, খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতে পাঁচ দশমিক ৫৫ শতাংশ, বিবিধ খাতে চার দশমিক ৯২ শতাংশ, মিউচুয়াল ফান্ড খাতে চার দশমিক ৫০ শতাংশ, আইটি খাতে চার দশমিক ২৯ শতাংশ, নন-ব্যাংকিং আর্থিক খাতে তিন দশমিক ৯৪ শতাংশ,সেবা আবাসন খাতে দুই দশমিক ৯৩ শতাংশ এবং জ্বালানি শক্তি খাতে দুই দশমিক ৪৬ শতাংশ লেনদেন হয়েছে।
বাকিগুলোর মধ্যে জীবন বিমা খাতে এক দশমিক ৫১ শতাংশ, সিরামিক খাতে এক দশমিক ৪০ শতাংশ, টেলিকম খাতে এক দশমিক ৩৫ শতাংশ, সিমেন্ট খাতে এক দশমিক শূন্য আট শতাংশ, পেপার প্রিন্টিং খাতে শূন্য দশমিক ৯৫ শতাংশ, চামড়া খাতে শুন্য দশমিক ৮৯ শতাংশ, ভ্রমণ ও অবকাশ খাতে শূন্য দশমিক ৬২ শতাংশ, পাট খাতে শূন্য দশমিক ২৬ শতাংশ এবং করপোরেট বন্ড খাতে শূন্য দশমিক শূন্য তিন শতাংশ লেনদেন হয়েছে।








