• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩০ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
নোটিশ
সারাদেশের জেলা ও উপজেলায় সংবাদকর্মী আবশ্যক। নিজেকে যোগ্য মনে করলে এখনই যোগাযোগ করুন Mob: 01778840333, Email: m.r.01778840333@gmail.com

জীবনযাপনের বিজ্ঞানের পথ দেখাচ্ছে

sagar crime reporter / ১৭ জন দেখেছে
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬

জীবনযাপনের বিজ্ঞানের পথ দেখাচ্ছে

কামাল লোহানী

 

shaplanews.com

 

আমাদের প্রত্যাশিত অনেকগুলো বিষয়ই কোয়ান্টাম মেথড কোর্সে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশেষ করে ‘সুস্থ দেহ প্রশান্ত মন কর্মব্যস্ত সুখী জীবন’—এ চারটি বক্তব্য। আমরা তো অধিকাংশই অসুস্থ দেহের মানুষ। সেখানে সুস্থ দেহের কথা শুনতে আমার কাছে অবশ্যই ভালো লাগবে। আমরা আসলে এই সুস্থতার পথেই যেতে চাই। কিন্তু আমাদের সে পথ দেখাবার কোনো লোক নেই। সেখানে জীবনযাপনের এ বিজ্ঞান আমাদের যে পথ দেখাচ্ছে, আমরা সেই দিকে হাঁটবার জন্যে চেষ্টা করছি।

কোর্সের প্রথমদিন পুঁজিবাদ, সাম্রাজ্যবাদ ও ভোগবিলাসিতার কথা বলা হয়েছে। ৪০ বছর আগে আমরা যদি ঐ পথ পরিহার করে নিজের পায়ে দাঁড়াবার চেষ্টা করতাম তাহলে আজ আমরা আরো উন্নত জাতিতে রূপান্তরিত হতে পারতাম। এখানে যে বিষয়টি আমার সবচেয়ে ভালো লেগেছে, সেটা হলো সময়ানুবর্তিতা। আমাদের দেশে সব কাজের মধ্যে এর দারুণ অভাব। কোর্সের প্রতিটি ক্ষেত্রে আমরা সময়কে অনুসরণ করেছি। যদি এ শিক্ষা পরবর্তী জীবনে অনুসরণ করতে পারি তাহলে বোধ হয় আমরা সত্যিকার মানুষ হিসেবে নিজেকে গণ্য করতে পারব।

আমরা বলি, লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে এই বাংলাদেশ। রক্ত তো প্রচুর পরিমাণে গেছে। কিন্তু আজ পর্যন্ত তো সুখের সন্ধান আমরা পেলাম না। সুখ যদি পেতে হয়, তাহলে আমাদের সঙ্ঘবদ্ধ হতে হবে। কোয়ান্টামের এ কোর্সে গুরুজীর আলোচনার মূল বক্তব্যও ছিল সঙ্ঘ এবং সঙ্ঘশক্তি নিয়ে। মানুষ যদি সঙ্ঘবদ্ধ হয়, তাহলে যে-কোনো চ্যালেঞ্জকে সে মোকাবেলা করতে পারে।

আমাদের অধিকাংশের মধ্যে এখন আত্মবিশ্বাসের অভাব প্রকট। এ চার দিন ধরে তার বক্তব্যের মধ্য দিয়ে আমরা যা পেয়েছি, সেটা হলো আত্মবিশ্বাসটাকে আরো শক্তিশালী করতে হবে। কথাগুলো শুনে শুনে আমার মনে হচ্ছিল, এখানে যারা উপস্থিত ছিলেন, অন্ততপক্ষে কিছু মানুষের মধ্যেও যদি এ জিনিসটি উপ্ত হয়, তাহলে আমরা অনেকদূর এগিয়ে যাব।

এখানে সবার মাঝে চমৎকার একটা হৃদ্যতার সম্পর্ক সৃষ্টি হয়েছে, ঠিকানা সৃষ্টি হয়েছে। এটি কিন্তু একটা বড় পাওয়া। আমাদের প্রত্যেকের মনের ভেতরে এই আস্থাটি এসেছে যে, আমরা একটি পথ পেয়েছি। এই পথে এগোতে পারলে এবং আন্তরিকতার সাথে যদি আমরা এই সমস্ত নির্দেশাবলি পালন করতে পারি, তাহলে আমরা অবশ্যই ব্যক্তিগতভাবে এবং জাতিগতভাবে একটা ভালো জায়গায় যেতে পারব।

পৃথিবীতে মানুষের শক্তিটা হচ্ছে সবচেয়ে বড় শক্তি। সেজন্যে সবাই মিলে আমরা যদি সঙ্ঘশক্তি তৈরি করতে পারি, তাহলে সুস্থতা প্রশান্তি কর্মব্যস্ত ও সুখী জীবন—এ চারটি অর্জন করা খুব সহজ। এই কোর্সের মধ্য দিয়ে আমরা নিজেদের জাগ্রত করবার চেষ্টা করছি। এই জাগরণ যদি সম্ভব হয়, তবেই কিন্তু আমরা সবাই বলতে পারব, ‘আমার সোনার বাংলা/ আমি তোমায় ভালবাসি’।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ