দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে বস্ত্র খাতের কোম্পানিগুলোর শেয়ার। এতে খাতটি লেনদেনের শীর্ষে অবস্থান করছে। পরবর্তী অবস্থানে রয়েছে সাধারণ বিমা খাত। দুই খাতে সম্মিলিতভাবে লেনদেন হয়েছে ৪০ দশমিক ৬৮ শতাংশ।
ডিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে জানা যায়, গত সপ্তাহে মোট লেনদেন হয়েছে চার হাজার ৯৮৭ কোটি ৮২ লাখ টাকা। এতে দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৯৯৭ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। পুঁজিবাজারে বর্তমানে ২১টি খাতে মোট ৪১২টি প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে বস্ত্র এবং সাধারণ বিমা এই দুই খাতের ১০১টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে দুই হাজার ২৮ কোটি ৭১ লাখ টাকা। বাকি ১৯টি খাতের ৩১১টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে দুই হাজার ৯৫৯ কোটি ১০ লাখ টাকা।
শীর্ষ অবস্থানে থাকা বস্ত্র খাতের ৫৮টি প্রতিষ্ঠানে মোট লেনদেন হয়েছে এক হাজার ১০৫ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। এই খাতে দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণ ছিল ২২১ কোটি ১২ লাখ টাকা, যা ডিএসইর মোট লেনদেনের ২২ দশমিক ১৭ শতাংশ।
লেনদেনে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা সাধারণ বিমা খাতের ৪৩টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে ৯২৩ কোটি আট লাখ টাকার শেয়ার, যা মোট লেনদেনের ১৮ দশমিক ৫১ শতাংশ।
অন্যান্য খাতের মধ্যে ওষুধ রসায়ন খাতে ৯ দশমিক শূন্য ছয় শতাংশ, ব্যাংক খাতে সাত দশমিক ৯১ শতাংশ, প্রকৌশল খাতে সাত দশমিক ৪৯ শতাংশ, বিবিধ খাতে ছয় দশমিক ২২ শতাংশ, মিউচুয়াল ফান্ড খাতে চার দশমিক শূন্য তিন শতাংশ, জ্বালানি ও শক্তি খাতে চার দশমিক শূন্য এক শতাংশ, খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতে তিন দশমিক ৬১ শতাংশ, আইটি খাতে দুই দশমিক ৮৮ শতাংশ, নন-ব্যাংকিং আর্থিক খাতে দুই দশমিক ৮৮ শতাংশ, সেবা আবাসন খাতে দুই দশমিক ৫২ শতাংশ, জীবন বিমা খাতে দুই দশমিক ১৯ শতাংশ, পেপার ও প্রিন্টিং খাতে এক দশমিক ৪৬ শতাংশ, টেলিকম খাতে এক দশমিক ২৬ শতাংশ, সিরামিক খাতে শূন্য দশমিক ৯৬ শতাংশ এবং সিমেন্ট খাতে শূন্য দশমিক ৭৩ শতাংশ লেনদেন হয়েছে।
বাকি খাতগুলোর মধ্যে ভ্রমণ ও অবকাশ খাতে শূন্য দশমিক ৪২ শতাংশ, চামড়া খাতে এক দশমিক ২৬ শতাংশ, করপোরেট বন্ড খাতে শূন্য দশমিক ৬৭ শতাংশ এবং পাট খাতে শূন্য দশমিক ৬২ শতাংশ লেনদেন হয়েছে।








