বর্ষার চেনা আবহাওয়ায় রাজধানীর বায়ুমান আজও স্বস্তিদায়ক অবস্থায় রয়েছে। ধুলোবালির দাপট না থাকায় বৈশ্বিক বায়ুদূষণের তালিকায় ঢাকার অবস্থান আজ বেশ তলানিতে।
রবিবার (৫ জুলাই) সকাল ৮টা ২০ মিনিটে সুইজারল্যান্ডের বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা আইকিউএয়ারের সূচকে ঢাকার স্কোর রেকর্ড করা হয়েছে ৬৫। বাতাসের এই মানকে ‘মাঝারি’ বা গ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়। গত কয়েক দিনের ধারাবাহিকতায় আজও সকালের বাতাসে ঢাকার বাসিন্দাদের বিষাক্ত ধোঁয়া বা ধুলোবালির মুখোমুখি হতে হয়নি।
একই সময়ে আইকিউএয়ারের তালিকায় বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত বাতাস ছিল ভারতের দিল্লিতে, যার স্কোর ১৯৯। এ ছাড়া ১৬৯ স্কোর নিয়ে পাকিস্তানের লাহোর দ্বিতীয় এবং ১৬৪ স্কোর নিয়ে উগান্ডার কাম্পালা তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে।
আবহাওয়াবিদ ও পরিবেশবিদরা বলছেন, নিয়মিত বৃষ্টিপাতের কারণে বাতাসে ভাসমান ধূলিকণা (পিএম ২.৫) থিতিয়ে পড়েছে। ফলে বর্ষার এই সময়ে সাধারণত ঢাকার বায়ুমান ভালো থাকে। তবে এই স্বস্তি সাময়িক। শুষ্ক মৌসুম আসার আগেই শহরের অপরিকল্পিত খোঁড়াখুঁড়ি ও ফিটনেসবিহীন যানবাহনের কালো ধোঁয়া নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে বছরের শেষ দিকে বাতাস আবার ‘অস্বাস্থ্যকর’ হয়ে উঠবে।
মানদণ্ড অনুযায়ী, একিউআই স্কোর শূন্য থেকে ৫০ থাকলে বাতাস ‘ভালো’। ৫১ থেকে ১০০ হলে ‘মাঝারি’। আর স্কোর ১৫১ পার হলে তা সবার জন্য ‘অস্বাস্থ্যকর’ বলে বিবেচিত হয়।
এ ছাড়া ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকা স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। এ অবস্থায় শিশু, প্রবীণ এবং অসুস্থ রোগীদের বাড়ির ভেতরে এবং অন্যদের বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেয়া হয়ে থাকে। ৩০১ থেকে ৪০০-এর মধ্যে থাকা স্কোর ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে বিবেচিত, যা নগরের বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।