• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
নোটিশ
সারাদেশের জেলা ও উপজেলায় সংবাদকর্মী আবশ্যক। নিজেকে যোগ্য মনে করলে এখনই যোগাযোগ করুন Mob: 01778840333, Email: m.r.01778840333@gmail.com

বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ নতুন দিনে নতুন আশা

sagar crime reporter / ৩৫ জন দেখেছে
আপডেট : মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬

নতুন দিনে নতুন আশা

 

কাল নিরবধি। সেই মহাকালের পরিক্রমায় আবার এক নতুন বছর ফিরে এল। বাংলা বর্ষপঞ্জির ১৪৩৩ সনের গণনা শুরু হলো আজ মঙ্গলবার। গাছে গাছে নতুন পাতা। রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে এসেছে নতুন সরকার। এই পরিপ্রেক্ষিতে পুরোনো সব জীর্ণতা ঝেড়ে নতুনের আহ্বান নিয়ে নতুন প্রত্যয়ে সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ নির্মাণের আশা ও আহ্বান নিয়ে এসেছে পয়লা বৈশাখ।

পয়লা বৈশাখ নিছক একটি নতুন বর্ষপঞ্জির সূচনা দিবস নয়; বাঙালি জাতিসত্তা ও আবহমানকালের গৌরবময় সংস্কৃতির আনন্দঘন উদ্‌যাপনের দিন। ধর্ম, বর্ণ, শ্রেণি, পেশা নির্বিশেষে সমাজের সব স্তরের মানুষের এক মহামিলনের মহোৎসব হলো পয়লা বৈশাখ। সবচেয়ে বড় এই অসাম্প্রদায়িক উৎসবে রাজধানীসহ সারা দেশ ভরে উঠবে বিপুল প্রাণচাঞ্চল্যে।

রাজধানীতে অনুষ্ঠানের সূচনা হবে প্রভাতকালে ছায়ানটের ঐতিহ্যবাহী সংগীতায়োজনের মধ্য দিয়ে। এরপর উৎসব বর্ণাঢ্য করে তুলতে বৈশাখী শোভাযাত্রা নামবে রাজপথে। বিভিন্ন সংগঠনের উদ্যোগে সুর–ছন্দের আয়োজন, বৈশাখী মেলা, দেশি পদের রান্নার স্বাদ বাঙালি জীবনে বয়ে আনবে অনাবিল আনন্দ।

আজ ছুটির দিন। সকাল থেকেই উৎসবমুখর মানুষ বের হবেন ঘর থেকে। নারীদের পোশাকে প্রাধান্য থাকবে লাল-সাদা শাড়ির প্রাধান্য। পুরুষের পোশাক থাকবে পাঞ্জাবি, ফতুয়া। উৎসবে রং ছড়াবে তাঁদের সাজসজ্জা। উৎসবমুখর বাঙালি খুঁজে নেবে তার সংস্কৃতির চিরায়ত শিকড়। রাজধানী পরিণত হবে নতুন দিনের আশা আর উদ্‌যাপনের অনন্য এক মিলনমেলায়।

বাংলা নববর্ষের ইতিহাস

বাংলা সনের প্রচলন নিয়ে ঐতিহাসিকদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। তবে সবচেয়ে প্রচলিত মত হলো, মোগল সম্রাট আকবর খাজনা আদায়ের সুবিধার্থে ফসলি সন প্রবর্তন করেন। হিজরি সন চান্দ্রবর্ষ অনুসারে গণনা করা হওয়ায় কৃষকের ফসল তোলার সময়ের সঙ্গে তা মিলত না। তাই হিজরি ৯৬৩ সালকে ভিত্তি ধরে সৌরবর্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে ১৫৫৬ খ্রিষ্টাব্দ থেকে বাংলা সনের প্রবর্তন করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে বাংলার জমিদারেরা খাজনা আদায়ের জন্য পয়লা বৈশাখে প্রজাদের মিষ্টিমুখ করিয়ে ‘পুণ্যাহ’ ও ব্যবসায়ীরা ‘হালখাতা’ উৎসব চালু করেন। হালখাতা আগের মতো জাঁকজমকের সঙ্গে উদ্‌যাপিত না হলেও রাজধানীর পুরান ঢাকার কিছু ব্যবসায়ী পালন করে থাকেন। এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ব্যবসায়ীদের মধ্যেও সীমিত আকারে হালখাতা পালনের রীতি প্রচলিত রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ