• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
নোটিশ
সারাদেশের জেলা ও উপজেলায় সংবাদকর্মী আবশ্যক। নিজেকে যোগ্য মনে করলে এখনই যোগাযোগ করুন Mob: 01778840333, Email: m.r.01778840333@gmail.com

সারাদেশ শ্বশুরের সেপটিক ট্যাংকে মিলল জামাইয়ের লাশ দেবিদ্বার (কুমিল্লা) প্রতিনিধি

sagar crime reporter / ১৪৭ জন দেখেছে
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

সারাদেশ

শ্বশুরের সেপটিক ট্যাংকে মিলল জামাইয়ের লাশ
দেবিদ্বার (কুমিল্লা) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫,

শ্বশুরের সেপটিক ট্যাংকে মিলল জামাইয়ের লাশ

কুমিল্লার দেবিদ্বারে নিখোঁজের একমাস পর শ্বশুরের সেপটিক ট্যাংকের ভেতর থেকে মেয়ে-জামাই আব্দুল করিম ভূইয়ার (৫২) লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কাশেমের বাড়ি থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

এর আগে গত ১৩ আগষ্ট তিনি নিখোঁজ হলে বড় ভাই আমির হোসেন ভূইয়া থানায় একটি জিডি করেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দেবিদ্বার উপজেলার বড়শালঘর ইউনিয়নের বড়শালঘর গ্রামের পশ্চিম পাড়ার মৃত আবুল কাশেম ভূইয়ার ছেলে আব্দুল করিম ভূইয়া। তিনি গত ১৩ আগষ্ট বাড়ি থেকে খরমপুর মাজার এলাকায় যাওয়ার কথা বলে বাহির হয়ে নিখোঁজ হয়। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখোঁজি করে না পেয়ে ১৬ আগষ্ট তার বড় ভাই আমির হোসেন ভূইয়া দেবিদ্বার থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন। পরে গত বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) নিখোঁজ আব্দুল করিমের বড় ভাই আমির হোসেন ভূইয়ার মোবাইল ফোনে অজ্ঞাত এক ব্যক্তি ফোন দিয়ে জানায় তার ছোট ভাই করিমকে শশুর বাড়ির লোকজন হত্যা করে লুকিয়ে লাশ রেখেছে। ওই ফোনের সূত্র ধরে আমির হোসেন ভূইয়া রাতেই দেবিদ্বার থানায় এসে পুলিশ নিয়ে তার ছোট ভাই আব্দুল করিম ভূইয়া শশুর বাড়িতে যান। সেখানে গিয়ে অনেক খোঁজাখোঁজির এক পর্যায়ে শশুর মৃত ইউনুছ মিয়ার সেপটিক ট্যাংকের ভিতরে লাশ দেখতে পায় পুলিশ।

বিষয়টি দেবিদ্বার থানার ওসিকে জানানো হলে রাত সাড়ে ৩টায় ওসি শামছুদ্দিন মোহাম্মদ ইলিয়াস ও দেবিদ্বার সার্কেলের এএসপি শাহিন ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করেন। এই সময় আব্দুল করিম ভূইয়ার দুই শ্যালক মোজ্জামেল ও ইসরাফিল এবং করিমের স্ত্রী তাসলিমা আক্তার, বড় ছেলে তানভির, ছোট ছেলে তৌহিদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ আটক করেছে।

নিহতের বড় ভাই আমির হোসেন ভূইয়া জানান, গত ১৩ আগষ্ট বাড়ি থেকে আখউড়ার খড়মপুর মাজার এলাকায় যাওয়ার কথা বলে বাহির হয়ে নিখোঁজ হয়। অনেক খোঁজাখোঁজি করে না পেয়ে ১৬ আগষ্ট থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করি। বুধবার একটি অজ্ঞাত ফোনের সূত্র ধরে তার ভাইয়ের লাশ উদ্ধার হয়। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের তিনি ফাঁসির দাবি জানান।

এ ব্যাপারে দেবিদ্বার থানার ওসি শামছুদ্দিন মোহাম্মদ ইলিয়াস বলেন, নিখোঁজের একমাস পর একটি ফোনের সূত্র ধরে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে লাশ পাঠানো হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহত করিম মিয়ার দুই শ্যালক, স্ত্রী ও দুই ছেলেকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ