• ঢাকা, বাংলাদেশ সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ০৬:৪৯ অপরাহ্ন
  • [কনভাটার]
নোটিশ
সারাদেশের জেলা ও উপজেলায় সংবাদকর্মী আবশ্যক। নিজেকে যোগ্য মনে করলে এখনই যোগাযোগ করুন Mob: 01778840333, Email: m.r.01778840333@gmail.com

জ্বালানি তেল নিয়ে জরুরি নির্দেশনা

sagar crime reporter / ৮৯ জন দেখেছে
আপডেট : সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬

জাতীয়

জ্বালানি তেল নিয়ে জরুরি নির্দেশনা

shaplanews.com

প্রকাশ: ০৯ মার্চ ২০২৬,

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দেশজুড়ে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং বাজারে কৃত্রিম সংকট প্রতিরোধে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

সোমবার (৯ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পরিবীক্ষণ শাখা থেকে দেশের সব জেলা প্রশাসককে (ডিসি) এ সংক্রান্ত নির্দেশনা পাঠানো হয়।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব নাহিদা আক্তার তানিয়া স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, জ্বালানি তেলের বাজারে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং কোনো ধরনের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি যেন না হয়, তা নিশ্চিত করতে এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়, তেলের অবৈধ মজুদ গড়ে তোলা বন্ধ করা, নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি প্রতিরোধ করা এবং খোলা বাজারে তেল বিক্রি ও পাচার ঠেকাতে কঠোর নজরদারি জোরদার করতে হবে। এ জন্য নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনার ওপর গুরুত্ব দিতে জেলা প্রশাসকদের বলা হয়েছে।

এদিকে বর্তমান পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের যথাযথ ও নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং সংশ্লিষ্ট অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন এবং সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর সমন্বয়ে একটি ‘কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিক মনিটরিং ও কন্ট্রোল সেল’ গঠন করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, এই মনিটরিং ব্যবস্থার মাধ্যমে জ্বালানি তেলের বাজার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে এবং কোনো অনিয়ম দেখা দিলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে ফিলিং স্টেশন থেকে তেল সরবরাহের সীমা বেঁধে দিয়ে নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।

শুক্রবার (৬ মার্চ) বিপিসির সচিব শাহিনা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।

বিপিসির নির্দেশনা অনুযায়ী, একটি মোটরসাইকেলে দিনে ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন নেওয়া যাবে। ব্যক্তিগত গাড়ির ক্ষেত্রে নেওয়া যাবে ১০ লিটার তেল। এসইউভি/জিপ/মাইক্রোবাসে ২০ থেকে ২৫ লিটার, পিকআপ/লোকাল বাসে ৭০ থেকে ৮০ লিটার, দূরপাল্লার বাস/ট্রাক/কার্ভাডভ্যান/কনটেইনার ট্রাকে ২০০ থেকে ২২০ লিটার জ্বালানি তেল নেওয়া যাবে।

বিপিসির নির্দেশনায় বলা হয়েছে, দেশের ব্যবহৃত জ্বালানি তেলের প্রায় ৯৫ শতাংশ বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। বৈশ্বিক সংকটময় পরিস্থিতিতে দেশের জ্বালানি তেলের আমদানি ব্যবস্থাপনা মাঝেমধ্যে বাধাগ্রস্ত/বিলম্বিত হয়। চলমান বৈশ্বিক সংকট পরিস্থিতিতে বিভিন্ন গণমাধ্যম/সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জ্বালানি তেলের মজুত পরিস্থিতি নিয়ে নেতিবাচক সংবাদ প্রচার হওয়ায় ভোক্তা/গ্রাহকদের মধ্যে অতিরিক্ত চাহিদার প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অতিরিক্ত চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ডিলারেরা বিগত সময়ের চেয়ে অতিরিক্ত পরিমাণ জ্বালানি তেল ডিপো থেকে সংগ্রহের চেষ্টা করছেন।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়, কিছু কিছু ভোক্তা ও ডিলার ফিলিং স্টেশন হতে প্রয়োজনের অতিরিক্ত জ্বালানি তেল সংগ্রহ করে অননুমোদিতভাবে মজুত করার চেষ্টা করছেন মর্মে খবর প্রকাশ হচ্ছে, যা জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এবং বিপিসিসহ সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হয়েছে।

জনগণের আতঙ্ক কমানোর লক্ষ্যের কথা জানিয়ে নির্দেশনায় বলা হয়, দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার জন্য বিদেশ থেকে আমদানি কার্যক্রম/সূচি নির্ধারিত রয়েছে। নিয়মিতভাবে চালান দেশে আনা হচ্ছে। পাশাপাশি ডিলারদের সাময়িকভাবে প্রধান স্থাপনা থেকে সারা দেশের সব ডিপোতে নিয়মিতভাবে রেল ওয়াগন/ট্যাংকারের মাধ্যমে তেল পাঠানো হচ্ছে। আশা করা যাচ্ছে, স্বল্প সময়ের মধ্যে দেশে জ্বালানি তেলের বাফার স্টক (পর্যাপ্ত মজুত) গড়ে উঠবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ