• ঢাকা, বাংলাদেশ রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ০৪:২৩ অপরাহ্ন
  • [কনভাটার]
নোটিশ
সারাদেশের জেলা ও উপজেলায় সংবাদকর্মী আবশ্যক। নিজেকে যোগ্য মনে করলে এখনই যোগাযোগ করুন Mob: 01778840333, Email: m.r.01778840333@gmail.com

টিএফআই-জেআইসি সেলে গুম-খুনের মামলা সেনা কর্মকর্তাদের পরবর্তী শুনানিতে ভার্চুয়ালি হাজিরার আবেদন

sagar crime reporter / ১৯৩ জন দেখেছে
আপডেট : রবিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২৫

টিএফআই-জেআইসি সেলে গুম-খুনের মামলা
সেনা কর্মকর্তাদের পরবর্তী শুনানিতে ভার্চুয়ালি হাজিরার আবেদন

আওয়ামী লীগের শাসনামলের পনের বছরে টিএফআই-জেআইসি সেলে গুম-খুনের অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধে ১৩ সেনা কর্মকর্তাকে হাজির করা হয়েছে। তবে গুমের মামলায় গ্রেপ্তার ১৩ সেনা কর্মকর্তাকে পরবর্তী শুনানিতে সশরীরে না এসে ভার্চুয়ালি হাজিরার আবেদন করেছেন আইনজীবীরা।

আজ রোববার (২৩ নভেম্বর) সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে কয়েকজন আসামির পক্ষে এ সংক্রান্ত আবেদন করেন আইনজীবী মাইদুল ইসলাম পলক। গণমাধ্যমকে বিষয়টি তিনি নিজেই নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে এদিন সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালে ১৩ কর্মকর্তাকে হাজির করা হয়। গুমের মামলা দুটি হলো টিএফআই এবং জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেলে নির্যাতন। এসব মামলার পলাতক আসামিদের ট্রাইব্যুনালে হাজির হতে একটি বাংলা ও একটি ইংরেজি পত্রিকায় ইতোমধ্যে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে।

হাজিরাকে কেন্দ্র করে ট্রাইব্যুনাল ও আশপাশের এলাকাজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সকাল থেকেই কড়া নিরাপত্তায় পুলিশ, র‍্যাব ও বিজিবির সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। সাদা পোশাকে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদেরও তৎপর দেখা গেছে।

এর আগে মানবতাবিরোধী অপরাধের পৃথক দুই মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার নিরাপত্তা উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল তারিক আহমেদ সিদ্দিক ও ডিজিএফআইয়ের সাবেক পাঁচ মহাপরিচালকসহ ৩০ জনের বিরুদ্ধে গত ৮ অক্টোবর গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।

পরবর্তীতে ১১ অক্টোবর সংবাদ সম্মেলনে ১৫ জন কর্মরত সেনা কর্মকর্তাকে হেফাজতে নেওয়ার কথা জানায় সেনাবাহিনী। আর ২২ অক্টোবর সকালে বাংলাদেশ জেলের একটি বিশেষ প্রিজন ভ্যানে করে সাধারণ পোশাকে ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে ট্রাইব্যুনালে আনা হয় । শুনানির পর তাদের ঢাকা সেনানিবাসের নির্ধারিত সাব জেলে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

ট্রাইব্যুনালে যেসব সেনা কর্মকর্তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয় তারা হলেন- র‍্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, মো. কামরুল হাসান, মো. মাহাবুব আলম, ব্রিগেডিয়ার কে এম আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন ও আনোয়ার লতিফ খান (অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে), র‍্যাবের গোয়েন্দা শাখার সাবেক পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মশিউর রহমান জুয়েল, সাইফুল ইসলাম সুমন ও মো. সারওয়ার বিন কাশেম, ডিজিএফআইয়ের সাবেক তিনজন পরিচালক মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী ও আহমেদ তানভির মাজাহার সিদ্দিকী।

ট্রাইব্যুনাল শুনানি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ