নদী দখল করে গড়া বিপুর বাংলো গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো
কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২১ আগস্ট ২০২৫,
নদী দখল করে গড়া বিপুর বাংলো গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো
ছবি: সংগৃহীত
কেরানীগঞ্জে বুড়িগঙ্গার তীর দখল করে গড়ে তোলা সাবেক বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুর বাংলোবাড়ি উচ্ছেদ করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। বুধবার বেলা ১১টার দিকে কেরানীগঞ্জের কাউটাইল এলাকায় বুড়িগঙ্গার তীরে অভিযান চালানো হয়।
বিআইডব্লিউটিএ’র যুগ্ম পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ২০০৯ সালে জনস্বার্থে করা এক রিটের আদেশে নদীর জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। সে নির্দেশনা অনুযায়ী এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, বুড়িগঙ্গার দখল করে অবৈধভাবে বাংলোবাড়িটি নির্মাণ করা হয়েছিল। দীর্ঘদিন ধরে এটি নদীর স্বাভাবিক প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করছিল। অভিযানে প্রায় দুই একর জায়গা দখল করে নির্মিত বাংলোবাড়ির সীমানাপ্রাচীর ও তিনটি দ্বি-তলা ভবন উচ্ছেদ করা হয়। এছাড়া বেশ কয়েকটি টং দোকান ও কিছু গাছপালা ভেঙে দেওয়া হয়। এ সময় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশ, র্যাব-১০ এবং কেরানীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা সহায়তা করেন।
বিআইডব্লিউটিএ কর্মকর্তারা জানান, বুড়িগঙ্গা নদী রক্ষায় নিয়মিত এ ধরনের উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে। কোনো প্রভাবশালী বা পরিচিতি এ ক্ষেত্রে বিবেচনায় আনা হবে না।
১৬ জানুয়ারি দুদকের করা এক মামলায় নসরুল হামিদ ও তার স্ত্রীর বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দেন আদালত। দুদকের পক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়, প্রতিমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালনকালে নসরুল হামিদ ক্ষমতার অপব্যবহার করে স্ত্রী সীমা হামিদের নামে জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে ৬ কোটি ৯৮ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনে সহায়তা করেন।