• ঢাকা, বাংলাদেশ রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:২৫ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
নোটিশ
সারাদেশের জেলা ও উপজেলায় সংবাদকর্মী আবশ্যক। নিজেকে যোগ্য মনে করলে এখনই যোগাযোগ করুন Mob: 01778840333, Email: m.r.01778840333@gmail.com

নতুন সরকারের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর ১৭, ১৮ ফেব্রুয়ারির পরে যাবে না: প্রেস সচিব

sagar crime reporter / ৯ জন দেখেছে
আপডেট : শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

নতুন সরকারের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর ১৭, ১৮ ফেব্রুয়ারির পরে যাবে না: প্রেস সচিব

নির্বাচনের পর যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচিত সরকারের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেছেন, এটি ১৭, ১৮ ফেব্রুয়ারির পরে যাবে না বলে মনে করেন।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রেস সচিব এ কথা বলেন। এর আগে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণ করা হবে ১২ ফেব্রুয়ারি। একই দিনে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব বলেন, ‘সবচেয়ে দ্রুত সময়ে (ক্ষমতা) হস্তান্তর হবে। যদি দেখা যায় তিন দিনের মধ্যে এমন হয় যে সংসদ সদস্যরা শপথ নিয়েছেন, তারপর সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের লিডারকে (নেতা) ডাকা হচ্ছে যে আপনি আসেন শপথ নেন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে। তিন দিনের মধ্যে এটা হয়ে যেতে পারে। ১৫, ১৬ ফেব্রুয়ারিতে হতে পারে। আমর মনে হয় না এটি ১৭, ১৮ ফেব্রুয়ারির পরে যাবে।’

এ সময় প্রধান উপদেষ্টার উপ–প্রেস সচিব মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বলেন, নির্বাচনের পর নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাছে যত দ্রুত সম্ভব দায়িত্ব হস্তান্তর করা হবে। এ বিষয়টি তিনি গতকালই জানিয়েছেন।

এর আগে সচিবালয়ে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ কে পড়াতে পারেন সে বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘এটা (নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ) সরকারের নীতিগত পর্যায়ের সিদ্ধান্ত। এখন আপনাদের চূড়ান্ত কিছু বলতে পারব না। তবে আমাদের সামনে দুটি অপশন (বিকল্প) আছে। একটা হচ্ছে রাষ্ট্রপতি মনোনীত কোনো ব্যক্তি শপথ গ্রহণ করাতে পারেন। উদাহরণ হিসেবে হয়তো আমাদের প্রধান বিচারপতি হতে পারেন। আর এটা যদি না হয়, তাহলে আমাদের প্রধান নির্বাচন কমিশনার আছেন, তিনিই শপথ গ্রহণ করাবেন। এ ক্ষেত্রে একটি সমস্যা আছে, তিন দিন অপেক্ষা করতে হবে। আমরা আসলে অপেক্ষা করতে চাই না, আমরা নির্বাচন হওয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব শপথ গ্রহণের ব্যবস্থা করতে চাই।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ