আর্জেন্টিনার ম্যাচ হলেই যেন বেড়ে যায় রেফারিং বিতর্ক। সুইজারল্যান্ড ম্যাচেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। কোয়ার্টার ফাইনালে আজ রোববার (১২ জুলাই) সুইসের ৩-১ গোলে হারিয়েছে আর্জেন্টিনা। ম্যাচের ৭২ মিনিটে লাল কার্ড দেখেন সুইস ফুটবলার ব্রিল এম্বোলো। তা নিয়ে ক্ষুব্ধ দলটির কোচ মুরাত ইয়াকিন।
এম্বোলোর লাল কার্ড সম্পর্কে ইয়াকিন বলেন, “এই সিদ্ধান্ত সত্যিই বোধগম্য নয়। আমি জানি তারা (ফিফা) রেফারিদের প্রতিবারই সুরক্ষা দেবে, কিন্তু এই নিয়মের কারণেই আজকের ম্যাচটা শেষ হয়ে গিয়েছে। সেই সময় তাকে (এম্বোলো) হলুদ কার্ড দেখানোর কোনো কারণ ছিল না। এমন কোনো বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি হয়নি তখন। এই একটি সিদ্ধান্তই পুরো ম্যাচের গতিবিধি বদলে দিয়েছে। এটি ম্যাচের ফলাফলও নির্ধারণ করে দিয়েছে।”
চলমান বিশ্বকাপে বেশ কয়েকটি নতুন নিয়ম চালু করেছে ফিফা। এর মধ্যে অন্যতম ‘মিস্টেকেন আইডেন্টিটি’ বা ভুল খেলোয়াড়কে শাস্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত সংশোধনের আইন। এই নিয়মে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচের ৭২ মিনিটে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন এম্বোলো।
এর আগে দেখা যায়, লিয়ান্দ্রো পারেদেস ফাউল করেছেন এম্বোলোকে। পর্তুগিজ রেফারি জোয়াও পিনেইরো তখন হলুদ কার্ড দেখান আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডারকে। পরে ভিএআর পর্যালোচনা করে দেখা যায়, দুজনের মধ্যে আসলে কোনো সংঘর্ষ হয়নি। এম্বোলো নিজেই নিজেই মাটিতে পড়ে গিয়েছিলেন। তখন নতুন নিয়মে তাকে হলুদ কার্ড দেখানো হয়। আগে আরেকটি হলুদ কার্ড থাকায় সেটি লাল কার্ডে পরিণত হয়।
