
shaplanews.com
এক জাপানি সেনানায়ক। যুদ্ধে খুব খারাপ অবস্থা। সৈন্যদের মনোবলও প্রায় শূন্যের কোঠায়। পরদিন একটা ফ্রন্ট ব্যাটেল আছে, যে যুদ্ধে জয়ের ওপরই নির্ভর করছে এই বাহিনী আর থাকবে নাকি থাকবে না।
সেনানায়ক সৈন্যদের ডেকে বললেন, “শোনো তোমরা! আমি বুঝতে পারছি তোমাদের মনের অবস্থা! কিন্তু কালকের যুদ্ধটা আমাদের করতেই হবে। এই আমাদের শেষ সুযোগ। তবে যুদ্ধে আমরা জিতব না হারব চলো তার একটা পরীক্ষা করে ফেলা যাক।
এই মুদ্রাটার একপিঠে হেড এবং আরেক পিঠে আছে টেইল। টসে যদি হেড আসে তাহলে আমরা জিতব, আর যদি টেইল আসে তাহলে আমরা হেরে যাব। সেক্ষেত্রে তোমরা চাইলে যুদ্ধক্ষেত্রে ছেড়ে চলেও যেতে পারো।"
সৈন্যরা রাজী হলো- দেখাই যাক না একটা পরীক্ষা করে!
সেনানায়ক পর পর তিনবার টস করলেন। তিনবারই হেড এলো। সৈন্যরা তো মহাখুশি! এবারের যুদ্ধ তাদের পক্ষে। তাদেরই জয় হবে।
বিপুল বিক্রমে তারা যুদ্ধ করল। জিতলও!
সেনাপতিকে ঘাড়ে করে পুরো যুদ্ধ মাঠ প্রদক্ষিণ করল সৈন্যরা। আনন্দ-উৎসবের মাঝে সেনাপতি একফাঁকে এসে ঢুকলেন তার তাঁবুতে। বিছানার নিচ থেকে কয়েনটাকে বের করলেন। উল্টে-পাল্টে দুপিঠ দেখলেন।
দুপিঠেই ‘হেড’! সেনাপতি মুদ্রার টেইল অংশটাতেও বসিয়ে দিয়েছিলেন হেড। ফলে যেভাবেই টস করা হোক না কেন, হেড আসবেই! এবং তা-ই এসেছে। আর তা দেখেই সৈন্যরা নতুনভাবে মনোবলে পুনরুজ্জীবিত হয়েছে। ফলে বাস্তব বিজয়ও তারা পেয়েছে।
আসলে ঘটনাটা হেড না টেইল কোনটাই না। ঘটনাটা ‘ভাবতে পারা’! কারণ যুদ্ধক্ষেত্রের বাস্তব অবস্থা কিছু বদলায় নি। যদি কিছু বদলে থাকে তা হলো সৈন্যদের ভাবনা। নিজেদের জয়ের ব্যাপারে তারা আস্থা ব্যক্ত করেছে। ফলে পরিবর্তন এসেছে তাদের মনোজগতে। আর এই মনোজাগতিক পরিবর্তনই বদলে দিয়েছে বাস্তব অবস্থা। ভাবনার শক্তি এখানেই।
Kaderabad Housing Mohmmedpur, Dhaka-1207. Phone- 01778840333
Email: m.r.01778840333@gmail.com
Web: www.shaplanews.com
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬