
Published : 13 Mar 2026,
সন্ধ্যার পরই পুরো বাসা মশায় ভরে যায়। মশারি টানিয়ে, কয়েল জ্বালিয়েও নিস্তার নেই। রাতের ঘুম হারাম হয়েছেই, সন্ধ্যা থেকেই একদণ্ড ঠিকঠাক বসা যায় না। আগে নিয়মিত ওষুধ ছিটালেও অনেকদিন ধরেই মশা তাড়ানোর ধোঁয়াও দেওয়া হয় না এখানে।
রাজধানীর মহাখালীর দক্ষিণাপাড়া এলাকার বাসিন্দা বেসরকারি চাকরিজীবী আলী হায়দার পাটোয়ারী দিন কয়েক আগে এভাবেই মশার উপদ্রবের কথা বলছিলেন।
এক সংবাদকর্মী বলছিলেন, রাতের পালা শেষে বাসায় গিয়ে খেতে হয় মশারীর ভেতরে। কোনো উপায়েই টেবিলে বসার জো থাকছে না শীতের পর থেকেই।
তাদের মতো তিক্ত অভিজ্ঞতা রাজধানীতে এখন বেশির ভাগের। মশার সঙ্গে রীতিমত যুদ্ধ করতে হয় বিকাল হতে না হতেই। অন্ধকার হতে না হতেই ছেঁকে ধরে মশার দঙ্গল। কয়েল জ্বালিয়ে, সমানে হাত-পা চালিয়ে কিংবা মশা মারার ব্যাট দিয়েও কাজ হয় না এ যুদ্ধে।
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার অন্তত ১০ জনের সঙ্গে মশার উপদ্রব নিয়ে কথা বলেছে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। তাদের প্রায় প্রত্যেকই একইরকম কথা বলেছেন।
গবেষণাও বলছে, ঢাকায় গত ফেব্রুয়ারিতে মশার সংখ্যা জায়গাভেদে ৪০ শতাংশের বেশি পর্যন্ত বেড়েছে।
গবেষকেরা বলছেন, মশা বাড়ার কারণ হল-এবার শীতের মাত্রা কম ছিল, স্বাভাবিক সময়ের আগে শীত বিদায় নিয়েছে, দূষণ যথাযথভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারা যায়নি।
এর সঙ্গে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে জনপ্রতিনিধির অভাবে মশা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির স্থবিরতাকেও দায়ী করছেন তারা।
এতদিন দুই সিটি করপোরেশনের সমন্বয় না থাকার কথা বলা হয়েছে বিএনপির নতুন সরকারের তরফে। নতুন প্রশাসক বসানো হয়েছে সম্প্রতি। এছাড়া মশা নিধনে সরকারের নানা পরিকল্পনা নেওয়ার কথা বলেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল।
উত্তরা-১৮ নম্বর সেক্টর এলাকার বাসিন্দা রাজীন চৌধুরী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “২৪ ঘণ্টাই মশা থাকে বাসায়। মশার যন্ত্রণায় বাচ্চাদের নিয়ে আছি বিপদে। আগে তো শুধু রাতের বেলায় কামড়াত, এখন দিনের বেলায়ও মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ। বাসায় মশারি খোলাই হয় না। কথা বলার সময়ও মশা কামড়াচ্ছে।”
মোহাম্মদপুর বেড়িবাঁধ এলাকার বাসিন্দা আরিফ হোসেন বলেন, “সিটি করপোরেশন এলাকার লোকজন আগে নিয়মিত ঔষধ দিলেও কাউন্সিলররা না থাকায় এখন অনেকদিন থেকেই ফগ মেশিন নিয়ে আসে না।”
শ্যামপুরের বাসিন্দা গৃহিণী তানিয়া সুলতানা দুই কন্যা সন্তানকে নিয়ে চিন্তিত। তিনি বলেন, “মশা বিশেষ করে শীত কমে যাওয়ার পর থেকেই বেড়ে গেছে। বাচ্চাদের নিয়ে বেশি ভয়। আমরা তো মারতে পারি, বা সতর্ক থাকতে পারি। বাচ্চারা তো আর বোঝে না।”
মিরপুর-২ এলাকার চা দোকানি আলী আক্কাস বলেন, “সন্ধ্যার পর মানুষ চা খেতে আসে। অবস্থা এমন যে, মুখ খুললেই মুখে মশা ঢুকে পড়ে অনেক সময়।”
এক মাসেই বেড়েছে ৪০ শতাংশ
সম্প্রতি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক কবিরুল বাশারের নেতৃত্বে পরিচালিত একদল গবেষক একটি গবেষণা চালিয়েছেন।
ওই গবেষণায় দেখা গেছে, ঢাকায় মশার উপদ্রব শুধু বেড়েছে, তা নয়, বরং এটি মারাত্মক মাত্রায় রূপ নিয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, গেল বছরের ডিসেম্বর মাসের তুলনায় চলতি ফেব্রুয়ারিতে মশার সংখ্যা জায়গাভেদে ৪০ শতাংশের বেশি পর্যন্ত বেড়েছে।
এসব মশার ৯২ শতাংশই কিউলেক্স। আর বাকি ৮ ভাগের মধ্যে রয়েছে আরমিজেরিস, ম্যানসোনিয়া, অ্যানোফিলিস, এইডিস।
সাধারণত কিউলেক্সের কামড়ে ফাইলেরিয়া বা গোদরোগ ও জাপানি এনকেফালাইটিস হয়। তবে এ দুটি রোগ এখনো দেশে ততটা প্রকট নয়।
অন্যদিকে, এইডিসের কামড়ে ডেঙ্গু ও অ্যানোফিলিসের কামড়ে ম্যালেরিয়ার মতো রোগ হয়।
অধ্যাপক বাশার বলেন, “আমরা ডিসেম্বরের সঙ্গে যদি তুলনা করি, সিটি করপোরেশনের বাইরেও অর্থাৎ ঢাকার বাইরেও প্রচুর মশা বেড়েছে এবং এই মশাটা প্রায় ৪০ শতাংশের অধিক বেড়েছে।
“এটা প্রতিদিনই বাড়ছে এবং মার্চ পর্যন্ত এটা বাড়তেই থাকবে যতদিন পর্যন্ত একটা ঝড়-বৃষ্টি না হচ্ছে।”
যেভাবে চালানো হয় গবেষণা
কবিরুল বাশার ও তার দল দুইভাবে এ গবেষণা চালিয়েছে। একটি হল মশার লার্ভা বা শূককীটের ঘনত্ব পরীক্ষা করে, অন্যটি হল প্রাপ্তবয়স্ক মশার উপস্থিতি গণনা করে।
গবেষণার পদ্ধতি নিয়ে তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, লার্ভা পরীক্ষা করতে বিভিন্ন জলাশয় থেকে ২৫০ মিলিলিটার পানি তুলে তাতে লার্ভার সংখ্যা গণনা করা হয়। জানুয়ারিতে ঢাকা ও সাভারের বিভিন্ন এলাকায় সংগৃহীত পানিতে গড়ে ৮৫০টি লার্ভা পাওয়া গেছে। ফেব্রুয়ারিতে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে গড়ে ১ হাজার ২৫০টিতে।
আর প্রাপ্তবয়স্ক মশার উপস্থিতি যাচাই করার জন্য একজন মানুষের হাঁটু পর্যন্ত পা ও বাহু উন্মুক্ত রেখে এক ঘণ্টায় কতটি মশা কামড়াতে আসে, তা গণনা করা হয়। জানুয়ারিতে এ সংখ্যা ছিল ৪০০ থেকে সর্বোচ্চ ৬০০। ফেব্রুয়ারিতে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে গড়ে ৮৫০, বলেন এই গবেষক।
এক ঘণ্টায় পাঁচটি মশা কামড়াতে এলেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মান অনুযায়ী তা বেশি। সেখানে ঢাকায় আসে ৮৫০টি।
কোন এলাকায় বেশি
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সঙ্গে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) পাঁচ এলাকায় মশা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে। সেসব এলাকায় মশা বেড়ে যাওয়ার এমন চিত্র উঠে এসেছে।
অধ্যাপক বাশার বলেন, “দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের শ্যামপুর, মান্ডা, মুগদা, পোস্তগোলা, শনির আখড়া, রায়েরবাগ, রায়েরবাজার উল্লেখযোগ্য। এসব এলাকায় কিউলেক্সের বিস্তার বেড়েছে। আর উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতাধীন উত্তরা, খিলক্ষেত এলাকায় মশার উপদ্রব বেড়েছে।
“এছাড়া, সাভারের বিরুলিয়ার এই সাইডটা, মিরপুরের ডিওএইচএসের পেছনে বাউনিয়া, হাজি ক্যাম্প—এসব জায়গাতে কিউলেক্স মশার ঘনত্ব অনেক বেশি। কিন্তু মধ্য ঢাকাতে, যেখানে ড্রেন ডোবা নর্দমা কম, খোলা ড্রেন কম সেখানে কম আছে।”
গবেষকেরা বলছেন, প্রধানত তিনটি কারণে এবার মশার প্রকোপ বেড়েছে। প্রথমত, এবার শীতের মাত্রা কম ছিল এবং শীত স্বাভাবিক সময়ের আগে বিদায় নিয়েছে। ফলে এ বছর মশার প্রকোপ আগেই শুরু হয়েছে।
দ্বিতীয়ত, ঢাকার বিভিন্ন জলাশয়, ডোবা, খাল ও নর্দমাগুলোর দূষণ যথাযথভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়নি।
এছাড়া, রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশনে জনপ্রতিনিধির অভাবে মশা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি স্থবির হয়ে থাকার কারণেই মশা বেড়েছে।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জি এম সাইফুর রহমান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “সাধারণত অগাস্ট-সেপ্টেম্বর থেকেই কিউলেক্সের সিজন শুরু হয়ে যায়। তখন শীত চলে আসার কারণে তাপমাত্রা কম থাকায় নভেম্বর, ডিসেম্বর, জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নরমালি এর উপদ্রব কম থাকে।
“এবার শীতের মৌসুমটা কম হয়ে যাওয়ার কারণে দেখা গেছে যে ওই পর্যন্ত আর যেতে হয়নি, তার আগেই বেড়ে গেছে।”
বিষয়টি ব্যাখ্যা করে সাইফুর বলেন, কিউলেক্সের জীবনচক্র শেষ করতে সাধারণত সাত দিন সময় লাগে। তাপমাত্রা ২০ থেকে ২২ বা ১৭ থেকে ১৮ ডিগ্রির উপরে থাকলে সাত দিনের মধ্যে কিউলেক্স জীবনচক্র সম্পন্ন করতে পারে। অন্য সময়ে এটা ১৫ দিন ২০ দিন পর্যন্ত লেগে যায়। শীত বেশি থাকলে তখন এই মশার ‘ব্লাড ফিডিং’ করতে অনীহা থাকে। তারপর ডিম উৎপাদনের জন্য যে ধরনের হরমোন নিঃসরণ প্রয়োজন, সেটা থাকে না। ফলে, এরা পূর্ণ আকার পায় না, যে কারণে শীতে প্রকোপ কম থাকে।
তিনি বলেন, এবার শীতটা আগে চলে যাওয়ার কারণে তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় আগেই কিউলেক্স বাড়া শুরু হয়ে গেছে।
“সে কারণে আমরা যেটা মার্চ সিজনে অনুভব করি, সেটা ফেব্রুয়ারিতে চলে এসেছে।”
প্রাণিবিদ্যার এই শিক্ষক বলেন, “একই কারণে মার্চে পপুলেশন আরও বাড়বে। এপ্রিলেও বাড়তে থাকবে। এপ্রিলে তাপমাত্রা যখন ব্যাপক বেড়ে যাবে, মানে প্রচণ্ড গরম পড়বে অর্থাৎ ৩২ ডিগ্রির ওপরে গেলে তখন কমে আসবে। এছাড়া, কালবৈশাখী ঝড় বা প্রচণ্ড বৃষ্টিপাত যদি হয়, তাহলেও এটা কমে আসবে। নাহয় এপ্রিল পর্যন্ত বাড়বে।”
সম্প্রতি ঢাকার দুই নগর সংস্থায় নতুন দুজন প্রশাসক নিয়োগ পেয়েছেন। একাধিকবার ফোন করে এবং বার্তা পাঠিয়েও তাদের কারও সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
তবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জাহানে ফেরদৌস বিনতে রহমান বৃহস্পতিবার রাতে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “মশা নিধনে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা শুরু হয়ে গেছে। আমাদের নিয়মিত যে কার্যক্রমগুলো, সকালে লার্ভিসাইডিং দেওয়া এবং বিকেলে অ্যাডাল্টিসাইড দেওয়া (ধোঁয়া) চলছে। আমাদের কর্মীরাও কাজ করছে। কিন্তু যেহেতু প্রকোপটা বেড়ে গেছে, সেই কারণে আমাদের হল, এটাকে আরও জোরদার করা হয়েছে।”
তিনি বলেন, “আমাদের প্রশাসক যিনি আছেন, তিনি আমাদের মশক নিধন ঔষধের মেইন যে স্টোর, সেখান থেকে র্যান্ডম স্যাম্পল কালেকশন করে নিয়ে গেছেন। সেই স্যাম্পলটা পরীক্ষাগারে পাঠিয়ে এটি কতটা কার্যকর সেটা দেখা হবে।”
ঢাকা দক্ষিণ সিটির প্রধান স্বাস্থ্য কমকর্তা বলেন, “এর বাইরে আমাদের ১০টা জোনে ১০ জনকে মনিটরিং করার জন্য বাড়তি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ওনারা শনিবার দিন থেকে একদম রুট লেভেলে চলে যাবে। আমাদের রুট লেভেলে গিয়ে ওনারা সমস্যা শনাক্ত করে সমাধানের চেষ্টা করবেন।”
আর, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “এই যে মশাটা, এটা কিউলেক্স মশা এবং এই মশাটা সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করে একটা শহরের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কতটুকু ভালো, একটা শহরের ড্রেনেজ সিস্টেম কতটুকু ভালো, একটা শহরের সোয়েরেজ সিস্টেম কতটুকু ভালো, তার ওপর।
“তিনটা ক্যাটাগরি এবং তিনটা ক্যাটাগরিতে যদি আমি মার্কিং করি সেখানে আমার শহর ১০-এর মধ্যে কোনো মতেই পাস মার্ক পায় না।”
এ বছর শীতের ব্যাপ্তি কমে যাওয়ায় মশা বেড়েছে তুলে ধরে তিনি বলেন, “মশা যে বেড়েছে, সেটা আমি স্বীকার করছি। কিন্তু, শুধু মশার ওষুধ ছিটিয়ে, স্প্রে করে কখনোই কিউলেক্স মশা দূর করা যাবে না, যতক্ষণ না পর্যন্ত আমার ময়লা আবর্জনা যত্রতত্র ফেলা বন্ধ না করি। দরকার সামাজিক সচেতনতা।”
কিছু জায়গায় সিটি করপোরেশনের কর্মীরা যান না, এ অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা উত্তর সিটির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বলেন, “এইগুলো মানুষের একটা পারসেপশন। কেউ কি সপ্তাহে ২৪ ঘণ্টা বাসায় থাকে? আমাদের লোক অবশ্যই যায়। সায়েন্স যেটা বলে যে সপ্তাহে আমায় দুইবার ফগিং করতে হবে।
“সকালবেলায় যে কাজটা হয় সেটা হলো স্প্রে মেশিন দিয়ে কাজ করা হয় লার্ভা মারার জন্য, সেটা হয় একদম নিঃশব্দে; সেটার কোনো সাউন্ড হয় না যার জন্য কেউ জানে না।
“সুতরাং মশা যখন বাড়ে, মানুষ বলে যে সিটি করপোরেশন আসে না, কাজ করে না, ওষুধ ভালো না, ওষুধে মরে না। এগুলো মানুষের ক্ষোভ থেকে বলে, কষ্ট থেকে বলে।”
তিনি বলেন, “আমরা স্বীকার করছি যে মশা বেড়েছে কিন্তু এমন না যে সিটি করপোরেশন হাত পা গুটিয়ে বসে আছে এবং সিটি করপোরেশনের কারণেই মশাগুলো হচ্ছে, সেটা না। নাগরিকদেরও দায়িত্ব আছে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ছাড়া আর প্ল্যানিং কিছু নেই।
“যেহেতু নতুন প্রশাসক এসেছেন, আমরা যে যে খালগুলো আছে, সেই খালগুলো ওয়ার্ডভিত্তিক এয়ারমার্ক (চিহ্নিত) করেছি। যেগুলো মেইন সোর্স মশার, সেগুলোতে কাজ করা হচ্ছে।
Kaderabad Housing Mohmmedpur, Dhaka-1207. Phone- 01778840333
Email: m.r.01778840333@gmail.com
Web: www.shaplanews.com
Copyright © 2026 Shapla News. All rights reserved.